1. [email protected] : শেয়ার সংবাদ প্রতিবেদক : শেয়ার সংবাদ প্রতিবেদক
  2. [email protected] : শেয়ারসংবাদ.কম : শেয়ারসংবাদ.কম
  3. [email protected] : Zahir Islam : Zahir Islam
  4. [email protected] : muzahid : muzahid
  5. [email protected] : nayan : nayan
  6. [email protected] : khadija : khadija khadija
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

তিন প্রান্তিক

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪
khan brothers

খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের লোকসান বেড়েছে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খান ব্রাদার্স পিপি ইন্ডাস্ট্রিজের লোকসান চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ৫ পয়সা লোকসান হয়েছে। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ১ পয়সা। এ বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮২ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১১ টাকা ৮৭ পয়সা।

এর আগে সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে এ লোকসান ছিল ১৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৪ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে এনএভিপিএস ছিল ১২ টাকা ২৬ পয়সায়।

লোকসানের কারণে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ। আগের হিসাব বছরে ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৮ হিসাব বছরে ২ শতাংশ নগদ, ২০১৭ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ বোনাস, ২০১৬ হিসাব বছরে ১১ শতাংশ বোনাস ও ২০১৫ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া খান ব্রাদার্সের  অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির রিজার্ভে রয়েছে ১৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারসংখ্যা ৯ কোটি ৮০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭৭। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ১৩ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৬১ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।

ডিএসইতে গত বৃহস্পতিবার খান ব্রাদার্সের শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ১২১ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১৩ টাকা ৭০ পয়সা ও ২৩৯ টাকা ৯০ পয়সা।

শেয়ার দিয়ে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ